রমজানের বোনাস

অফিসে ডিসিশন হলো.
১. যদি কোনো এমপ্লয়ী একদিনও সময়মত আসে তাহলে তাকে সারা মাসের বোনাস দেয়া হবে
২. প্রতি দিন টাইম মতো আসে, প্রতিদিন একটা করে বোনাস পাবে
৩. যদি একদিনও সময়মতো না আসতে পারে, জাস্ট একটা এপলোজি মেইল দিবে, তাতেও বোনাস কাউন্ট হবে
৪. যদি কোনো এমপ্লয়ী কোনো টাস্ক কমপ্লিট করে, সে প্রতি টাস্কএ একটা বোনাস পাবে
৫. টাস্ক কমপ্লিট করতে না পারলে আর একটা আপলোজি মেইল দিবে, তাতেও সে বোনাসের হোক দাঁড় হবে!
মাস শেষে যখন সবার একাউন্টে স্যালারি হিট করলো
সবার চোখ ছানাবড়া!
সবাই এইচ আর এ হুমড়ি খেয়ে পড়লো
সবাই পলিসি জানতে চায়
জানলো, এই মাসে মেনেজমেন্ট কোনো এক উদ্ভূত কারণে এক্সট্রা জেনেরাস হয়ে গিয়েছিল
সবাইকে খালি বোনাস দিয়ে বেরিয়েছে
সবাই আফসোস করা স্টার্ট করলো,
ইশ! কেন তারা প্রতিদিন টাইম মতো আসলো না
ইশ! কেন তারা প্রতিটা টাস্ক লুফে নিলো না
তবে এক বান্দাকে পাওয়া গেলো,
যে এক কিউবিকোলে চুপ চাপ বসে আছে
আজ তার কোনো বোনাস ঢুকে নাই!
অর্থাৎ
সে একদিনও টাইম মতো অফিসে আসে নাই,
একটা টাস্কও কমপ্লিট করে নাই
এমনকি একবার এপলোজিও চায় নাই
উল্টো ভাবছে চাকরিটা না যায়!
তার অবস্থা দেখে এক ক্লোস কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে বলে উঠে
“কি কোস!
কি কোরসিস সারা মাস!
এই মাসেও কেউ আবার বোনাস না পায় কিভাবে!
তুই মোর!”
পাশ থেকে আরেক কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড সুরে বলে উঠে
“আমিন!”
এটা একটা কল্প কাহিনী, তবে ,
সম্ভবত এমনি এক ফ্রাস্ট্রেশন রাসূলুল্লাহকেও পেয়ে বসে ছিলেন!
যেদিন জিব্রাইল আ: এসে বললেন
“ধ্বংস হোক সেই বেক্তি যে রামাদান পেলো
অথচ নিজেকে মাফ করাতে পারলো না!
[কারণ এই মাসে আল্লাহ এতটা জেনেরাস হয়ে উঠেন]
রাসূলুল্লাহও ফ্রাস্ট্রেশন লুকাতে না পেরে বলে উঠলেন
“আমিন!
আর কয়টা দিনইবা বাকি!
দৌড়ান!
রামাদান শেষ হওয়ার আগে আগেই বেশি বেশি করে মাফ চান!
বিস্বাস করেন,
মাফ পেয়ে গেলেন তো আর কিচ্ছু লাগবে না!
আর সাথে তো থাকবেই
বেহিসাব বোনাস!
Share: