“প্লিস ডোন্ট স্টপ বিয়িং নাইস”
জীবনে বহুত কিসিমের মানুষ পেয়েছি
তবে দুইটা কিসিমের মানুষ আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে
এক, যারা আমাদের লাইফের নিউ রিলেশনশিপ ক্রিয়েশনে হেল্প করেছিলো
আর দুই, যারা সেই রিলেশনহীপটিকে টিকিয়ে রাখতে হেল্প করেছিলো
একটু বুঝিয়ে বলি
প্রতিটা গ্রুপে এমন একজন থাকেই
যে নিউ মেম্বার দেড় ইন্ট্রডিউস করে
আবার নতুন কেউ আসলে তাকে খুব সহজ ভাবে বরণ করে নেয়
হতে পারে সেটা কোনো এলাকার আড্ডা গ্রূপে
হতে পারে নতুন স্কুলের প্রথম পিরিয়ডে কারো সাথে
অথবা হতে পারে ইউনিভার্সিটির কোনো এক চায়ের কাপে
এমনকি হতে পারে নতুন অফিসে নতুন কোনো ডিপার্টমেন্টে
অথবা বিয়ের পর নতুন পরিবারে
এই যে একসেসের ইসিনেসটা
এটা একজন নিউ কামারের জন্য অনেক বড় একটা সাইকোলজিকাল গিফট
এই গিফট কম বেশি কোনো না কোনো ক্ষেত্রে
আমরা সবাই এনজয় করেছি
এটা মাপা যায় না
তাই না?
এবার আসি দ্বিতীয় কিসিমে
প্রতিটা অর্গানাসেসনে বা প্রতিটা পরিবারের একজন আঠা থাকে
যে কিনা সবাইকে এক করে রাখে
ঝগড়া ঝাটি হলে মিলিয়ে দেয়
নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়
সবাইকে মাতিয়ে রাখে
এরা দেখবেন
যখন সবাই আপনার বিরুদ্ধে
তখন সে আপনার ফোরে কথা বলছে
হাত চেপে অভয় দিচ্ছে
ভয় নেই আমি আছি তোমার সাথে
আবার এরাই দেখবেন
আপনার হয়ে অন্যের ঝাড়ি খাচ্ছে
এমনকি দেখবেন
আপনি অন্য ডিপার্টমেন্ট হওয়া সত্ত্বেও
আপনার বার্থডে বা ফেয়ারওয়েল এররেন্জ করে যাচ্ছে
এরা পরোপকারী
মানুষকে হেল্প করাটাই এদের ব্রত
কিছু কিছু মানুষ অবশ্য এদের আবার দেখতে পারে না
ভাবে
তারা এমন কি করে হয়?
কেন করছে তারা এসব?
লোক দেখানো?
কি এজেন্ডা আছে?
যাই হোক,
কটুশব্দ শুনেও না শুনার ভান করে তারা আপন মনে নিজেদের কাজ করেই যায়
হয়তো কষ্ট পায়
তারপরেও কিছুক্ষন পর মাথা ঝাঁক দিয়ে আবার নতুন উদ্দামে শুরু করে
কারণ মানুষকে হেল্প করাটা তারা জীবনের একটা মিশন স্টেটমেন্ট হিসেবে নিয়েছে
ইন্ডিভিডুয়ালি বলি আর অর্গানাজেসন্স পার্সপেক্টিভ বলি
এই ধরণের মানুষগুলো খুব ইম্পর্টেন্ট
এরা এসেট
এদের ইন্টেন্জিবল কন্ট্রিবিউশনও মাপা যায় না
শুধু আমাদের দৃষ্টিতেই না,
এমনকি স্রষ্টার দৃষ্টিতেও
তাইতো রেওয়াতে পেয়েছি
মিরাজের রাত্রিতে যখন রাসূল আর সারা জাহানের বাদশা তিনটি ইম্পর্টেন্ট এজেন্ডা নিয়ে কথা বলেছিলেন
তার মধ্যে অন্যতম ছিল
“যদি কেউ যদি কারো ভাঙ্গা হৃদয়কে সংশোধন করে
স্রষ্টা তাকে কোন প্রশ্ন ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দিবেন!”
জানি অনেকে কাছে এর অথেন্টিসিটি প্রশ্নবিদ্ধ
তবে আমার কাছে বিষয়টা লজিকাল
কারণ শয়তানের এজেন্ডা হলো সম্পর্ক নষ্ট করা আর স্রষ্টার হলো জোড়া লাগানো
যাই হোক ইম্পর্টেন্ট বিষয় হলো
এই মানুষগুলো আমাদের প্রত্যেকের লাইফে এক্সিস্ট করে এবং
তারা বিশাল ডিফারেন্স মেক করে
তবে আফসোস
এই মানুষগুলোর সংখ্যা দিন কে দিন কমে যাচ্ছে
হয়তো এরই মাঝে এদের মধ্যে কেউ কেউ আমাদের ছেড়ে চলেও গিয়েছে
কেউ বা পথি মদ্ধে
তাই বলি কি
যে কজনই আছে
একবার, জাস্ট একটা বার হালেও তাদের সাথে কে ওয়ান টু ওয়ান বসেন
একটাবার হলেও তাদেরকে মুখ ফুটে বলেন
কিংবা একটা থেঙ্ক ইউ নোট পাঠান এই বলে যে:
“থ্যাংক ইউ, ইউ মেটার টু মি!”
“প্লিস ডোন্ট স্টপ বিয়িং নাইস”
“ইট মেটার্স”
“ট্রাস্ট মি!”
“ইট ডাস!”

Leave a Comment