জুম্মা বার
একটু ডিস্ট্রেসেড অবস্থায় জুম্মায় (সুন্নতে) মনোযোগ আনার চেষ্টা করছি
বার বার চেষ্টা করেও ব্যর্থ
একবার ডান দিক থেকে, একবার বা দিক থেকে
মুসল্লিরা শাই শাই করে সামনে যাওয়ায় বেস্ত
কারো নামাজে সমসসা হচ্ছে কি হচ্ছে না কি যায় আসে
সামনের সিটে বেশি সওয়াব!
অবাক হয়ে ভাবছি,
কি ভাবে যেন আমরা ধর্মের অতীব বেসিক মূল্য বোধ টুকুও হারিয়ে বসেছি
ধর্মকে এখন আমরা আর মন থেকে বুঝি না, এটাকে একটা ফ্রেমওয়ার্কে ফেলে দিয়েছি
এই যেমন নামাজের সামনে দিয়ে যাওয়ার বেপারটাই ভাবুন না,
আমরা মনে করি,
সামনে একটা ছোট লাঠি দিয়ে দিলেই নামাযীর চারপাশে একটা ইনভিসিবল দেয়াল হয়ে গেলো,
পাস দিয়ে ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে যাই অথবা ডিঙিয়ে যাই, নামাযীর কোনো সমসসাই হয় না
অথচ আপনি যদি ধেন এর কনসেপ্ট সামান্য হলেও বুঝে থাকেন তাহলে হয়তো জানবেন যে,
একজন ধেনরত মানুষের কাছে ধেনে বিঘ্নঘটা কতটা কষ্ট দায়ক
আর নামাজতো গভীর এক ধেন
কিন্তু আমরা সেটা আর বুঝবো কি করে?
কারণ আমাদের কাছেতো নামাজের বাহ্যিক ফ্রেমওয়ার্ক গুলো, যেমন নামাজে কি ভাবে দাঁড়াচ্ছি, হাত কোথায় বাঁধছি বা কয়বার আঙ্গুল নাড়াচ্ছি এই বিষয় গুলো বেশি জরুরি
ইন্টারনালাইস করার সময় কৈ আমাদের?
তাই বলছি
প্রিয় অবুঝ সওয়াব পাগল ভাইরা ভুলে যাবে না রাসূলুল্লাহ এ বিষয়ে কি বলে গিয়েছেন:
“মানুষ যদি শুধু বুঝতো! নামাজের সামনে দিয়ে যাওয়াটা কতটা সাংঘাতিক! কতটা গোনাহর তাহলে সে ৪০ দিন/ মাস/ বছরও দাঁড়িয়ে ঢাকতে দ্বিধা বোধ করতো না [১]
সো নেগেটিভ মার্কিং হতে সাবধান!
Reference: Sunan ibn majah Vol. 1, Book 5, Hadith 945

Leave a Comment