জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বেড়াই পার্ট ৯
আমরা হলাম এক তরুণ গাছের মত
ফ্লেক্সিবল কিন্তু ফার্ম
ঝড় ঝঞ্ঝাট বিপদ আপদ যাই আসুক,
কিছু সময় জন্য হয়তো নুয়ে পরবো
তবে কিছুক্ষন পর ঠিকই সটান করে দাঁড়িয়ে যাবো”
বিশ্বাসীদের নিয়ে এই সাহসী দাবি কিন্তু আমার নয়,
সর্ব কালের সর্ব সফল বেক্তিটির! [১]
অর্থাৎ
বিশ্বাসীদের মাঝে আছে সেই হার না মানা অদমনীয় এটিচুড!
জীবনে ঝড় আসবেই,
এটাই প্রকৃতির নিয়ম
সমস্যা হলো যখন আমরা সেটা ইমোশনালি নিয়ে ফেলি
যখন ডিপ্রেশন, এংসাইটি বা ভয় আমাদের পেয়ে বসে
তখনই আমাদের প্রকৃত পরাজয় ঘটে!
এই হেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো আমাদের আবেগ বা ইমোশন।
নিজেকে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মত ভাবুন
যখন কোনো দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তাঁকে একটা রাস্তা বানানোর চেলেঞ্জ দেয়া হয়
সে কিন্তু আবেগী হয়ে উঠে না
মন খারাপ করে না
অথবা
অভিমান করে ভাবে না যে,
“আরে! পাহাড়ে বা ঘন জঙ্গলের ভিতরেই কেন রাস্তা বানানোর দরকার ছিল!”
“দেশে কি সমতল ভূমির অভাব ছিল!”
সে সিম্পলি ধৈর্য নিয়ে চ্যালেঞ্জটি এক্সিকিউট করার একটা রোড মেপ তৈরী করে।
সে প্লেন করে,
রাস্তাটা পাহাড়কে পাশ কাটিয়ে নিয়ে যাবে না টানেল করে যাবে
ইমোশনের কোনো বেপার সেখানে থাকে না
এগিয়ে যাওয়াটাই উদ্দেশ্য।
আমরাও তো কোনো না কোনো একটা উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
বাধা চ্যালেঞ্জ তো আসবেই,
প্রকৃতির নিয়ম
তাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে
আপসেট না হয়ে প্রফেশনালি অল্টারনেটিভ রোড মেপ তৈরী করে এগিয়ে যাওয়া।
হার না মানা সেই বৃক্ষ অথবা একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
নিজেকে আপনি এখন যাই ভাবুন
পয়েন্ট কিন্তু একটাই:
হার মানা যাবে না, ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে
কারণ আপনার স্রষ্টার আশ্বাস
নিশ্চই তিনি ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন [২]
নিশ্চই কষ্টের পরপরই স্বস্তি আছে [৩]
এতে কোনো সন্দেহ নেই!
[১] সহি বুখারী ৭৪৬৬
[২] কুরআন ২:১৫৩
[৩] কুরআন ৯৪:৬

Leave a Comment