উসূলে দীন

কিছু দিন আগে
ফজরে মসজিদে তুমুল ঝগড়া
প্রায় হাতাহাতি পর্যায়
বিষয়ঃ জোরে আমিন আর রফে ইয়াদিন!
দুদিন আগে আবার দেখি
জোহরে এক ভাই মন খারাপ করে বসে আছেন
জিজ্ঞেস করলে জানালেন
এক মুরুব্বি ফতোয়া দিয়ে গিয়েছেন
তার নাকি নামাজ হবে না
কারণ সে নাকি গেঞ্জি পরে নামাজ পড়েছে!
ভাবছি দীন থেকে কতই না দূরে সরে এসেছি আমরা
সেই ভাবনা থেকেই লিখা
আগে লিখেছি, আবারো লিখলাম
প্রতিটা জিনিসের একটা ভিত্তি থাকে,
আমাদের দ্বীনের ভিত্তি হলো প্রিন্সিপাল.
আমাদের দ্বীনের উসুল গুলো দিয়ে যদি একটা গোলাকার টার্গেট বোর্ড বানাই,
দেখা যাবে,
একদম সেন্টারেই হলো প্রিন্সিপাল.
তারপর তাকে ঘিরে দ্বিতীয় বৃত্ত, ফারদ,
এবং পর্যায়ক্রমে তৃতীয় বৃত্তে সুন্নাহ,
অতঃপর ইজমা
এবং সব শেষ কিয়াস
অর্থাৎ প্রিন্সিপালই হল মূল
কিছু প্রিন্সিপাল এর উদাহরণ হলো
নৈতিকতা, অন্তরের বিশুদ্ধতা, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, উদারতা, সত্যবাদিতা, এবং মানবতা
পুরো কোরানে এই প্রিয়ন্সিপাল গুলোর উপর বার বার জোর দেয়া হয়েছে
পৃথিবীর যেই প্রান্তেই থাকেন না কেনো,
ধনী-গরিব, ছোট-বড়, সাদা কালো, নির্বিশেষে
এই আদর্শ গুলোকে কে মান্য করে,
কারণ এদের নিজেস্ব একটা শক্তি আছে
এবং এগুলো সময়ের সাথে বেঁকে যায় না.
এই প্রিন্সিপাল গুলো দিয়ে স্রষ্টা বোঝাতে চেয়েছেন যে
তিনি মানুষের ভিতর কি সব গুণাবলী দেখতে চান.
কারণ এগুলো একটা সুশৃঙ্খল সমাজ বেবস্থার জন্য প্রয়োজন।
অথচ আমরা জানিই না যে,
কোরানে তিনি এই প্রিন্সিপাল গুলো কে
একটা চমৎকার ফর্মুলা দ্বারা প্রকাশ করেছেন
ফর্মুলাটি হলো, তিনটি বাক্যাংশ
লা আল্লাকুম
আল্লাহা ইউহিব্বু এবং
মা’ য়া
দেখবেন তিনি কিছু দুর কথা বলার পর লাস্টে গিয়ে হয়তো বললেন
লা আল্লাকুম এবং একটা প্রন্সিপাল,
যেমন:
লা আল্লাকুম তাত্তাকুন
[যেন তোমরা মাইন্ডফুল হতে পারো]
লা আল্লাকুম তাশকুরুন
[যেন তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পারো],
আল্লাকুম তাজাককারুন
[যেন তোমরা তাকে বেশি বেশি তাকে স্মরণ রাখতে পারো]
অর্থাৎ
আমাদেরকে এমন মানুষ হতে হবে যাতে আমরা
একাধারে কৃতজ্ঞ, মাইন্ডফুল ও মুজাক্কির হতে পারি
অর্থাৎ এমন একজন মানুষ যে কিনা তাঁকে ঘন ঘন স্মরণ করে
আরেক জায়গায় তিনি হয়তো বলবেন:
ইন্নাল্লাহা ইউহিব্বুল মুহসিনীন
[আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন যারা এই বিষয়ের অবগত যে তিনি তাদের দেখছেন]
কিংবা উল্টোটা,
আল্লাহু লা ইউহিব্বুল ফাসিদ
[আল্লাহ জমিনে ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালোবাসেন না]
ইন্নাল্লাহা লা ইউহিব্বুল ফারিহিন
[নিশ্চিই আল্লাহ দাম্ভিকদেরকে ভালবাসেন না]
আবার কোনো কোনো জায়গায় হয়তো বলবেন
ইন্নাল্লাহা মা’ য়া সআবিরিন
অর্থাৎ [আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন]
এই প্রন্সিপাল গুলোই হচ্ছে আমাদের দ্বীনের মূল নীতি.
তবে প্রন্সিপাল বিষয়টি আপেক্ষিক, এবং এবস্ট্রাক্ট.
যেমন,
“লা আল্লাকুম তাত্তাকুন”
[যেন তোমরা মাইন্ডফুল হতে পারো]
তাহলে আমরা কি করে মাইন্ডফুল হব?
মাইন্ডফুল বা তাকওয়া তো আর দোকানে কিনতে পাব না যে ৫ কেজি প্রিমিয়াম কোয়ালিটিটর তাকওয়া কিনে নিয়ে আসলাম।
তাই
আমরা যেন এই প্রিন্সিপাল গুলো প্রাক্টিক্যালি ইমপ্লিমেন্ট করতে পারি
এর জন্য তিনি আমাদের কিছু বাধ্যতামূলক করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় বলে দিয়েছেন.
এই বাধ্যতামূলক বিষয় গুলোকে নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় বৃত্ত, যেগুলো কে আমরা ফারদ বলি
যেমন
তাকওয়া বাড়াতে চাও, তাহলে রোজা রাখো
জিকির বাড়াতে চাও তো নামাজ পর
এই দ্বিতীয় বৃত্তটি আমাদের কে এই এবস্ট্রাক্ট আইডিয়া গুলোকে প্রেক্টিকালি ইমপ্লিমেন্ট করতে সাহায্য করে
দুঃখের বিষয় হচ্ছে
আমরা এখন মুসলিম উম্মাহ
এই প্রিন্সিপাল গুলোর অবজেকটিভ ভুলতে বসেছি,
আমরা ভুলে গিয়েছি নামাজের উদ্দেশ্য কি!
আমরা ভুলে গিয়েছি রোজার উদ্দেশ্য কি!
হা নামাজ পড়তে হবে
কিন্তু কেন পড়তে হবে?
রোজা রেখে উপোষ থাকতে হবে
কিন্তু রোজা রেখে কেন উপোষ থাকতে হবে?
এই কেন টি আমরা হারাতে বসেছি
এই নামাজ বা রোজা আমাদের কে সফলতা দিতে পারবে না যতক্ষণ না আমরা প্রিন্সিপলে গুলো কে এস্টাব্লিশ করতে পারি
রাসূলগণের মূল কাজই ছিল মানুষকে এই প্রিন্সিপালের দাওয়াত দেয়া
খেয়াল করে দেখুন, রাসূল কিন্তু প্রথম ১০ বছর শুধু তৌহিদ আর প্রিন্সিপালের দাওয়াতই দিয়েছিলেন
পরবর্তীতে নামাজ রোজা জাকাতের বিধান ধিরে ধিরে আসে
এবার আসি তৃতীয় বৃত্তে- সুন্নাহ, এটা হচ্ছে দ্বীনের সুন্দর্য করন বৃত্ত
যেমন:
ডান পা দিয়ে মসজিদে ঢুকা,
ফরজের পর সুন্নাত আদায় করা,
সহি উচ্চারণে তেলাওয়াতকরা,
টাকনুর নিচে কাপড় না পড়া
ইত্যাদি ইত্যাদি
আজ আমরা বৃত্ত গুলোর প্রায়োরিটিও হারিয়ে ফেলেছি
আমাদের এখন হালকা ধর্মীয় জ্ঞান হলেই মুফতি হয়ে যাই, আর দ্বিতীয় আর তৃতীয় বৃত্তকে এক করে ফেলি.
দেখা যায়
কেউ জোরে আমিন বললে
বা সুন্নত নামাজ মিস করলে
দৌড়ে গিয়ে ঝগড়া করি
ভুলে যাই প্রিন্সিপাল,
আল্লাহ লা উহিব্বু মুস্তাকিবিরিন
[আল্লাহ এরোগেন্টদের পছন্দ করেন না]
আর ঝগড়া তো তিনি রীতিমতো ঘৃণা করেন!
মনে নেই কদরের এর ইতিহাস?
শুধু মাত্র দুই জন অজ্ঞাতনামা বেক্তিৰ ঝগড়ার কারণে আজ পুরো মুসলিম উম্মা কদরের একজেক্ট দিনটি জানা থেকে বঞ্চিত
এবার হজে গিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের একটা তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়:
মিনায় অল্প জায়গায় অনেক মানুষ, সেই তুলনায় ওযু খানা অপ্রতুল, তাই কম বেশি প্রতিটি নামাজের আগে থাকত লম্বা লাইন
লম্বা লাইনের প্রধান কারণ, সবাই খুব তারতীলের সাথে ওযু করতেন, বিশেষ করে মুরুব্বিরা
একবার তো আমার সামনের মুরুব্বি ঘড়ি দেখে কাটায় কাটায় ৫ মিনিটের লাগিয়ে ওযু করলেন, প্রতিটি অঙ্গ ৫ বার করে ধুলেন অঝোড় পানি ঝরছে আর লাইন লম্বা হচ্ছে আর এদিকে ওয়াক্ত যায় যায়
অর্থাৎ মানুষের উপর যুলুম করলেন
অথচ রাসূলের আধা লিটারের বেশি পানি কখন লাগতো না
তিনি এই তৃতীয় বৃত্তের দিকে নজর দিতে গিয়ে দুটো ফান্ডামেন্টাল প্রিমেসিপাল ভায়োলেট করলেন
আল্লাহু লা ইউহিব্বু জলিমিন
আল্লাহ জুলুমকারীদের ভালোবাসেন না
লা ইউহিব্বুল মুস্রিফিন
তিনি অপব্যয়ীদেরকে ভালোবাসেন না
সুন্দর্য বর্ধনের আরেকটা উদাহরণঃ কুরআন তেলাওাত!
যেটা কিনা প্রথম বা দ্বিতীয বৃত্তের ভিতরেই না
অথচ এটা নিয়ে আমাদের বারাবারি,
কারো উচ্চারণ সহি না হলেই,
একটা ফতোয়া মেরে দেই,
“ভাই তোমার নামাজ তো কবুল হবে না”
“তোমার তো কোরান ভুল করে পড়ার জন্য গুনাহ হচ্ছে!
আজিব!
বলছিনা কুরআন তেলাওাত এর প্রয়োজনীয়তা নেই,
অবশ্যই আছে, এবং আমাদের কন্টিনিয়াস ইম্প্রোভমেন্টের দরকার আছে তবে তার মানে এই নয় যে এটা নিয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে কথা বলবেন
আপনি হয়তো বলবেন
আমি তো সূরা আসরের ইন্সট্রাকশন ফলো করছি
“ওয়া তাওয়াসাও বিল হাক্ক”
সত্যি বলতে কি, আমরা আসলে হকের নামে
মানুষকে খোঁচা মারতে পছন্দ করি.
আপনি যদি “তাওয়াসাও” শব্দের ডিটেলস দেখেন,
দেখবেন এই শব্দটা এসেছে “ওসিয়াহ” থেকে
যার অর্থ হচ্ছে “ওসিয়ত করা”
ওসিয়ত হলো তা যা আমরা আমাদের মৃত্যু পূর্বে স্বজনদের করে থাকি
যেমন
“দেখ তোরা ভালো ভাবে চলবি”
“ঝগড়া ঝাটি করিস না” ইত্যাদি ইত্যাদি
অর্থাৎ টেকনিক্যালি “ওসিয়ত” কিন্তু কোনো আগুন্তক কে দেয়া হয় না, দেয়া হয় অতি কাছের মানুষজনদের, যাদের আমরা ভালোবাসি
কিন্তু কাউকে হকের পথে উপদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে আমরা এই দরকারি প্রিন্সিপালটা ভুলে যাই যেঃ
“যাকে উপদেশ দিচ্ছি তাকে ভালোবাসতে হবে”
খেয়াল রাখবেন,
উপদেশ যদি দিতেই হয় দিবেন,
কিন্তু তা হতে হবে মমতায় সিক্ত.
সাধারণত, যখন কেউ সমালোচনা করি ন্যাচারালি একটু এগ্রেসিভ হয়ে যাই
কিন্তু একটু চিন্তা করুন,
যাকে ওসিয়ত করছেন তার মনের অবস্থাটা কেমন?
সে একজন প্রিজন হারানোর বেথায় কাতর, তার মন নরম হয়ে আছে!
আপনি যদি এখন হকের নামে অগ্রাসন চালান,
তার কেমন লাগবে?
আপনার এই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স টা থাকতে হবে
একটা ভালো বাসার জন্য দরজা ও জানালা দরকার, এখন বাসায় কার্পেট বা সফা না থাকলেও বাসা হয়, তার মানে এই নোয় যে আপনি বলে দিলেন,
ভাই তোমার তো বাসায় সফা নাই,
“ধুর এটা কোনো বাসা হইলো!”
আসলে আমরা এমনটা যখন করি,
একটা বিশাল প্রব্লেম হয়ে দারায়
ধরুন আপনি ফতোয়া দেয়া স্টার্ট করছেন
যাবতীয় সব কিছুই হারাম,
যেমন টিভি দেখা হারাম, ভিডিও গেম হারাম,
ইউটুব হারাম, গান শোনা হারাম
তাহলে কি হবে জানেন?
তখন সৃষ্টিকর্তার দ্বিতীয় বৃত্তে যা কিছু হারাম ঘোষণা করেছেন সেগুলোও একই কাতারে চলে আসে,
যেমনঃ
জিনা, রেপ, খুন, মদ , শূকর, সুদ ঈত্যাদি
সব হারাম যদি একই প্রায়োরিটি তে চলে আসে,
সে ভাবা শুরু করে,
মুভি? আচ্ছা ব্যেপার না,
পর্ন? আচ্ছা ব্যেপার না,
ড্রাগ? আচ্ছা ব্যেপার না
জিনা? আচ্ছা ব্যেপার না
আপনি হয়তো ছোট কাউকে বললেন
মুভি দেখতে যাচ্ছো? এটাতো হারাম!
তখন তাদের শায়তান ওয়াসওয়াসা দেয়া শুরু করবে যে,
মুভি তো দেখেই ফেলেছিস,
যা হবার তা হয়ে গিয়েছে!
এখন একটু পর্ন ও দেখে ফেল!
তাই বলছি,
তিনি যেই লিস্ট কে প্রায়োরিটি দিয়েছেন দয়া করে তা ঘোলা করবেন না
আপনি হয়তো ভাবছেন আপনি ভালোর জন্যই করছেন,
ভুলে যাবেন না, রাসূলও কিন্তু আমাদের ভালোর জন্যই এসেছিলেন এবং তিনি কখনো বাড়াবাড়ি করতেন না
হা, এমন অনেক জিনিস থাকবে যেটা কিনা বড় বড় বিষয়, সে ক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই ফিকাহ গণের দারোস্ত হবো, তবে তার মানে এই নয় যে নিজেই মুফতি বনে যাবো.
এবার আসি চতুর্থ বৃত্তে,
এটা হচ্ছে সাহাবীরা যেসব বিষয়ে এগ্রি করেছিলেন,
ইজমা এ সাহাবা
প্রব্লেম হয় আপনি যখন নিজের কোনো ফতোয়াকে শুদ্ধি করার জন্য বলেন
“এই বিষয়ে সব সাহাবারা এগ্রি করেছেন…”
আপনি যদি কোরান এর তাফসীর পড়েন তাহলে দেখবেন সব সাহাবার সময় এক মত পষন করেননি,
অনেক বিষয় আছে যেখানে বিভিন্ন সাহাবা পুরো দ্বিমত পোষণ করেছিলেন, তবে সে গুলো খুবই ক্ষীণ বিষয় যা ছিল প্রথম তিনটি বৃত্তের বাইরে!
সো বক্তব্য দেয়ার বেপারে একটু সচেতন হন
প্রথম তিন বৃত্তে কোনো বেত্যয় নেই,
ডিসএগ্রিমেন্ট শুরু হয়েছে চতুর্থ বৃত্ত থেকে,
সো আপনি দাওয়াত দিলে কখনই তা চতুর্থ বৃত্ত থেকে হতে পারে না
যদি দ্বীনের দায়ী হওয়ার শখ হয় তাহলে রাসূল যেভাবে স্টার্ট করেছিলেন, সেভাবে স্টার্ট করুন,
প্রথম এবং দ্বিতীয় বৃত্ত থেকে
তারপর যদি দেখেন অডিয়েন্স আপনাকে একসেপ্ট করছে শুধু মাত্র তখন আপনি থার্ড বা ফোর্থ এর বিষয় গুলো তুলে ধরতে পারেন।
এবার আসি পঞ্চম বৃত্তে, কিয়াস,
এটা সেই বৃত্ত যেখানে একজন আলেম প্রথম চার বৃত্তের কোনোটাতেই সমাধান পেলেন না, তখন তিনি নিজস্ব জ্ঞান বিন্যাসে একটা বিষয়ে উপসংহার টানেন.
সেই উপসংহার আপনি অন্যের উপর জোর পূর্বক চাপাতে পারবেনা, কেউ মানলে ভালো, না মানলে সমসসা নাই, তবে কোনো ভাবেই এট দাবি করা যাবে না যে
“আপনি যা করছেন সেটাই ইসলাম
আর কেউ ফলো না করলে সে ইসলামের বহির্ভূত”
ফাইনালি, একটা লাস্ট বিষয়ঃ
কোরান, হাদিস, ইজমা এবং কিয়াস হলো আমাদের প্রাইমারি সৌর্স এর বাইরেও আরেকটা সৌর্স আছে সেটা হলো সেকেন্ডারি সোর্স
সেকেন্ডারি সৌর্স গুলো হলো মাসলাহাহ, ইস্তিহাসন, উর্ফ এবং ইস্তিশাব
এই সেকেন্ডারি সৌর্স কে টুল হিসেবে প্রয়োগ করে এভেইলএবল হাদিস অনুপাতে দ্বীনকে সাধারণ মানুষের জন্য বোধগোম্য করার জন্য
৪ ইমাম অক্লান্ত পরিশ্রম করে ৪টি পথ বা মাজহাব তৈরী করেন
জুড়ে আমিন বলব কি বলবে না
রফে ইআদিন করব কি করবে না
হাতে পেটে বাধবে, বুকে বাধবে নাকি বাধবেই না
এই সবই মাজহাবী বিষয়
আমরা এই সেকেন্ডারি বৃত্তএর মাজহাবী বিষয় নিয়ে
প্রাইমারি বৃত্তএর এর প্রথম বৃত্ত কে কি করে ভাইলেট করতে পারি!
এর থেকেও বড় ব্যাপার, আমরা যারা করছি
তারা জানিই না যে আমরা ভুল করছি
কারণ আমাদের কাছে এটাই ঠিক
এবং এই মাইনডসেটটা আমাদেরকে আরো বিপদজনক করে তুলে!
আমাদের এই মাইনডসেট এই পেরাডাইম এই মেটাল মডেল আপডেট করা এখন সময়ের দাবি
পরিবর্তন আনা সম্ভব
অতীত হয়তো চেঞ্জ করতে পারবো না
তবে ভবিষ্যৎ তো করেই পারি
নতুন প্রজন্মকে তো অন্তত দ্বীনের সঠিক প্রায়োরিটিটা শিখতে পারি!
Share: