দাঁড়িয়ে থাকুন
“দাঁড়িয়ে থাকুন”
এই দাঁড়িয়ে থাকাটা তিনি খুবই পছন্দ করেন!
আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই
বেশির ভাগ সময়ই অটো পাইলট মোড এ থাকি
বিসমিল্লাহ বলতে না বলতেই
ওলাঁদ দলিন আমিন ,
এখলাস শেষ হতে না হতেই রুকু,
পুরই অটোমেটিক
নামাজে দাঁড়ানোর অবজেক্টিভ কিন্তু
সূরা শেষ মাত্রই রুকু নয়,
এর অবজেক্টিভ হলো
সিম্পলি দাঁড়িয়ে থাকা!
আর যেহেতু চুপ চাপ দাঁড়িয়ে থাকাটা বেমানান,
তাই যতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি
ততক্ষন আমরা ঐশিক বাণী পড়তে থাকি
অর্থাৎ ইটস দা আদার ওয়ে এরাউন্ড
এই দাঁড়িয়ে থাকাটাকেই “কিয়াম” বলে
আর এই কিয়াম থেকেই কিন্তু কিয়ামত
অর্থাৎ সেই মহা দিন যেই দিন
আমরা সবাই দাঁড়িয়ে থাকবো.
ফিরে আসি,
আপনি হয়তো রাসূলের মতো বাকারার পর
ইমরান ধরতে পারবেন না
তবে সূরা ফিল থেকে সূরা নাস তো পারেন
সূরা ফিল শেষ করেই রুকু তে যাওয়ার টেন্ডেন্সি রেসিস্ট করুন,
ফিলের পর কুরাইশ ধরুন,
কুরাইশের পর মাউন ধরুন,
তারপর কাউসার আর তারপর কাফিরুন,
এভাবে নাসের, লাহাব, ইখলাস, ফালাক শেষে নাস পড়ুন
তারপর গিয়ে রুকু যে যান.
পড়তে পড়তে ভাবুন,
আমি কার সামনে দাঁড়িয়ে আছি?
তিনি কি আমাকে দেখছেন?
ফিল করুন,
আরে তিনি তো আমার কথা শুনছেন!
কথার জবাবও দিচ্ছেন!
এই যে আপনি একটা এক্সট্রা টাইম স্পেন্ড করলেন,
এই এফোর্ট টি আপনার অটো পাইলট নেস ভাব দূর করে দিবে
আপনি আরো মাইনফুল হয়ে উঠবেন।
সাধারণত,
জামাতে পড়লে এভাবে পড়ার সুযোগ হয়ে উঠে না
আবার নফল পড়ারও অভ্যাস নাই,
তাহলে?
তাহলে, এটলিস্ট দুই রাকাত সুন্নতে তো ট্রাই করতেই পারি!
আবারো বলছি,
দাঁড়িয়ে থাকুন, এবং সময় নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকুন
একটা ভিন্ন স্বাদ পাবেন!

Leave a Comment