নামাজের সামনে দিয়ে যাওয়া!
সকালে মেডিটেশন করা হয়
কোয়ান্টাম বা সিলভা নয়,
নিজেস্য ডেভেলপ করা একটা মেথড
বাসায় মোটামোটি সবার জানা,
মেডিটেশনে অবস্থায় কোনো শোরগোল করা যাবে না
হুট্ হাট আওয়াজ করা যাবে না
ডাক দেয়া যাবে না
গায়ে টাচ তো করা যাবেই না
কারণ এতে কন্সেন্ট্রেশন ব্র্যাক হয়
আর কন্সেন্ট্রেশন ব্রেক হলে
সারাদিন মেজাজ চিড়চিড়ে থাকে।
একই কথা কিস্তু নামাজের জন্যেও প্রযোজ্য কারণ
আমরা তো আর হজরাত উমরের মতো নামাজী না
যে নামাজে সময় বর্শা টেনে বের করলেও টের পাবো না
অনেকেই নামাজের সামনে দিয়ে হেটে যাওয়ার হাদীসটি জানি
“যদি নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী জানতোএটা তার কত বড় অপরাধ, তাহলে সে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করতো”
আমরা কোনাকুনি বুঝতে পছন্দ করি
তাই প্রায়শই দেখা যায়
নামাযীর সামনে দিয়ে যাচ্ছি না,
কিন্তু ফাঁকা পেলে ঠিকই সাইড দিয়ে নিজেকে গলিয়ে দিচ্ছি
নামাযীর গায়ে মৃদু ঘষা দিয়ে পিছনে চলে যাচ্ছি।
ধারণা
“আমি তো আর নামাযীর সামনে দিয়ে যাচ্ছি না, সাইড দিয়ে যাচ্ছি, সো মৃদু ধাক্কা লাগলে সমস্যা নেই”
আর
নামাযী যদি কোনোদিন ভুল ক্রমে কোনো জুতার বাক্স এর সামনে দাঁড়িয়ে পরে
তাহলে তো আর রক্ষাই নেই
পিছন থেকে অগুনিত ঠোকর তাকে খেতে হয়
মাঝে মাঝে তো মানুষজন বেলেন্স হারিয়ে হুড়মুড়িয়ে তার পিঠেও উঠে পরে!
বিষয়টি অনেকটা
“সামনে দিয়ে মশা যেতে পারবে না
তবে হাতি পিঠে উঠে পড়লেও সমস্যা নেই!”
একটা বিষয় বুঝার চেষ্টা করুন,
নামাযীর সামনে দিয়ে যাওয়া নিষেধ
এই জন্য নয় যে
তার সামনে দিয়ে নূর বিচ্ছিতো হচ্ছে
আর সেই নূরে সামনে দিয়ে গেলে আপনি ছাই হয়ে যাবেন
নিষেধ এই কারণে করা হয় কারণ
এক জন যখন দাস তার স্রষ্টার সাথে একাগ্র চিত্তে কথা বলার চেষ্টা চালাচ্ছে আপনি যেন তখন সেই চেষ্টায় বেত্তয় না ঘটান।
কারণ তাতে মেজাজ চিড়চিড়ে হয়ে যায়
তাই নেক্সট টাইম
নামায আগে আগে শেষ হয়ে গেলে,
ধৈর্য ধরুন
অপেক্ষা করুন
পিছনে যেতে হলে খেয়াল রাখুন
আপনার দ্বারা যেন কোনো নামাযীর গায়ে টাচ না হয়ে যায়
খেয়াল রাখুন যেন
আপনার দ্বারা হয়ে কোনো নামাযীর কন্সেন্ট্রেশন ব্যাহত না হয়ে যায়.
চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) না হয় দাঁড়াতে পারলেন না
৪০ মিনিট তো এটলিস্ট দাঁড়াতেই পারেন!

Leave a Comment