সমস্যা থাকবেই

সমস্যা থাকবেই
সমস্যার উর্ধে কেউ নয়
প্রফেশনাল ইস্যুর পাশাপাশি যদি পার্সোনাল ইস্যুতেও ঝামেলা থেকে থাকে
জেনে রাখবেন আপনি একটা নন
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মনীষী গুলোও পার্সোনাল ইস্যুতে স্ট্রাগল করেছিলেন!
নূহ আ: মতো বাবা পেয়েও ছেলে অবাধ্য হয়েছিল
অর্থাৎ এফেক্টিভ পেরেন্টিং মানেই যে সন্তান বাধ্য হবে এর কোনো গেরান্টি নেই
ইব্রাহিমের আ এর মতো স্মার্ট ছেলেকেও বাবা তেজ্য করেছিলেন
অর্থাৎ, বাবা স্বীকৃতি দিলো না, এর অর্থ এই নয় যে আপনি বখে গেলেন
লুত আ: এর মতো স্বামীর কথা তার স্ত্রী শুনেনি,
মানে, পার্টনারের লয়াল্টিও কিন্তু আপনার হাতে নয় !
আসিয়া আ এর মতো পারফেক্ট অর্থানগিনীকেও ফেরাউনেই টর্চার করে ছিল!
বলি, আপনার পার্টনার যদি এবিউসিফ হয় এর মানে এই নয় যে দোষ আপনারই।
মারিয়াম আ কে সম্মান করা হয় তার মাতৃত্বের জন্য
অর্থাৎ , সিঙ্গেল মা হওয়াটা কোনো লজ্জার বিষয় নয়!
আইয়ুব আ কে কঠিন বেধি দেয়া হয়েছিল
যাতে আমরা বুঝতে পারি যে আপনার ক্রনিক রোগ কোনো শাস্তি নয়
খেয়াল আছে? ইউসুফ আ এর ভাইরা যে তাকে হিংসা করেছিল?
তাই বলে কি এখন স্মার্ট আর কম্পিটেন্ট হওয়া বাদ দিয়ে দিবেন?
জাকারিয়া আ বুড়ো বয়স পর্যন্ত বাবা হতে পারেনি
অর্থাৎ আপনার ইনফার্টিলিটি কোনো অভিশাপ নয়
মনে রাখবেন,
শক্তিশালী পুরো আদ জাতির বিরুদ্ধে হুদ আ: একাই ছিলেন!
জি এক!
কারণ..
যা ভুল, ভুল, পুরো জাতি মিলে এক হয়ে করলেও ভুল,
আর যা ঠিক, ঠিক, সাথে কেউ থাকুক বা না থাকুক, তবুও!
ভুলে যাবেন না
রাসূলুল্লাহ এতিম ছিলেন, জীবন দশায় অসুস্থও হয়েছিলেন, স্ত্রীকে হাড়িয়ে ছিলেন, সন্তানও হাড়িয়ে ছিলেন,
অর্থাৎ, সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ মানুষটিও কিন্তু পার্সোনাল ইস্যুতে কষ্ট পেয়ে ছিলেন
তাই বলে কি তাঁরা থেমে ছিলো?
হার না মানা অদম্য স্পিরিটে এগিয়ে গিয়েছিলেন
সমস্যা থাকবেই
সমস্যা আসবেই
থেমে থাকা যাবে না
মিশন সেট করে এগিয়ে যেতে হবে!
Share: