“বি প্রফেশনাল, এন্ড ডোন্ট মেক ইট পার্সোনাল”
“বি প্রফেশনাল, এন্ড ডোন্ট মেক ইট পার্সোনাল”
এই জপ তো কম বেশি আমরা সবাই শুনেছি
কখনো মানার চেষ্টা করেছি, কখনো পারিনি
তবে জীবনে এমন কিছু চরিত্রের দেখা মিলে যারা প্রফেশনাল হোক বা নন প্রফেশনাল হোক সকল ক্ষেত্রেই কেন জানি সব কিছুই পার্সোনালি নিয়ে নিতে পছন্দ করতেন
সাইকোলজি নিয়ে পড়তে গিয়ে জানলাম এদের কে ভিকটিম মেন্টালিটি বলা হয়
প্রায় ৭ ক্যাটেগরির লোক এরকম করে থাকেন
১. যারা বেশি বেশি নেগেটিভ সেলফ টোক করে তারা
২. যারা ছোটবেলার কোনো ট্রমা দিয়ে পার করেছেন তারা
৩. যাদের খুব লো সেলফ এস্টিম তারা
৪. যাদের কোনো এংজাইটি ডিসর্ডার আছে তারা
৫. যারা কন্সটেন্ট স্ট্রেসে থাকেন তারা
৬. যারা ইমোশনালি খুবই সেনসিটিভিটি তারা
৭. আর এমনকি যারা নিজেকে পারফেকশনালিস্ট ভাবে তারাও
এদের দেখলে এখন মায়া লাগে, অনেকেই এর থেকে উত্তোলনের অনেক পথ বাতলেছেন, যেমন:
১. মাইন্ডফুলনেস প্রেকটিস করা
২. ইমোশনাল রেসিলিয়েন্স প্রেকটিস করা
৩. জার্নাল লিখা
৪ পসিটিভ অফারমেশন করা
আরো কত কি!
তবে আমার কাছে মনে হয়েছে
যদি কেউ নিজেকে আত্মবিস্বাসী এবং প্রজ্ঞা এই দুটোর বলয়ে মুড়ে নিতে পারেন তাহলে উত্তোলন অনেক সহজ হয়!
কারণ তখন আর নিজেকে কারো কাছে জাস্টিফাই করার কিছু থাকে না
আপনি জানেন আপনি ঠিক
আপনি জানেন যে আপনি যা করছেন তা বিগার দেন ইউ
মাওলানা রুমি এই বিষয়ে তার বিখ্যাত বই মারেফা মাথানভী বইতে একটা কেস স্টাডি তুলে ধরেন:
কেস স্টাডিঃ
হজরাত আলী কোনো এক যুদ্ধ ময়দানে এক প্রতিপক্ষকে মাটিতে ফেলে দেন
তিনি যখন বুকে বসে শেষ আঘাত আনবেন
ঠিক তখন প্রতিপক্ষ তার মুখে থুথু মারেন
হজরত আলী তৎক্ষণাৎ তাকে রেখে উঠে পরেন
ঘুরে চলে যেতে লাগলে প্রতিপক্ষ বিহ্বল হয়ে জানতে চান
“কি ভাই মারলেন না যে?”
হযরত আলীর উত্তর:
“এতক্ষন ফাইট ছিল ইসলামের জন্য
কিন্তু তোর থুথু ফাইটটাকে পার্সোনাল করে দেয়!
আমি তো আর পার্সনাল এজেন্ডায় কাউকে হত্যা করতে পারি না”
আমার মনে হয় না
ইউ কেন বি এনি মোর প্রফেশনাল দেন দেট!

Leave a Comment