কাহাফ নাগেটস

শুক্রবার,
কাহাফ পড়ছিলাম
যতই পড়ি এর মিনিং যেন ততই ডিপার হয়
এই যেমন
দুই বন্ধুর গল্প,
দুই বাগানের মালিক
একজনকে ফুলে ফেঁপে দিয়েছেন, অন্যজনকে মেপে
দুজনের দৌলতের বিশাল ব্যবধান
ব্যবধান স্রষ্টার আন্ডারস্টেন্ডিংএও
একজন দাবি করে বসলেন
“আমার মনে হয় না আমার যা ধন দৌলত যা আছে তা কখনো নিঃস্ব হয়ে যাবে”
কথাটা এটা তিনি কনফিডেন্স থেকেই বলেছিলেন
কনফিডেন্সে থাকা প্রব্লেম না
প্রব্লেম হলো কনফিডেন্সের সাথে রবে নামটা এটাচ না রাখা
যেমন তিনি বলতে পারতেন
“ইনশাল্লাহ আমার রব আমাকে কখনই নিঃস্ব অবস্থায় ছেড়ে দিবেন না”
তিনি তা বলেন নি
উল্টো একলাইন বাড়িয়ে বলেছিলেন
বলেছিলেন
“শুধু তাই না,
আমার তো মনে হয় না
এই কেয়ামত বলতে কিছু আছে বা কখনো হবে”
আর এখানেই ভুলটা করে বসেছিলেন
ঈমান থেকে সরে গেলেন
যদিও বললেন
“কেয়ামত যদি হোয়েও, আমার অতটা ক্ষতি হবে না”
তবে ঈমান অ্যাটাচড না থাকায়
সেই কনফিডেন্স তার কোনো কাজে আসলো না
কারণ কিছুদিনের মদ্ধেই
সে সব হারিয়ে বসলো
পরে অবশ্য ভুল বুঝতে পেরে আফসোস করে বললো
“হায়! আমি যদি শিরক না করতাম!”
উইয়ার্ড রাইট?
তিনি তো আমাদের তথাকথিত শির্কের কোনো বিষয়ই বলেন নি
যেমন তিনি তো অন্য কাউকে উপাসনার ঘোষণা দেননি
তাহলে শিরক আসলো কোথা থেকে?
তিনি আসলে নিজের নাফ্সের আরাধনাকেই “শিরক” সম্মোধন করেছিলেন
তিনি বুঝেছিলেন
“আমরা যা ঔন করি সবই আসলে স্রষ্টার”
তাঁর জিনিস তিনি যখন চাবেন, নিয়ে যেতে পারেন
আমরা কেবল কয়েক দিনের ইউসার মাত্র
আর এই মহা সত্যটি আমাদের নাফ্স আমাদের থেকে লুকিয়ে রাখে
একটা ইলিউশন ক্রেইট করে!
Share: