দরূদ কেন ১১ বারই পড়তে হবে?
আমাদের একটা লিমিটিং বিলিভ হলো দরূদ ১১ বার পড়তে হবে!
কেন?
১১ বারই কেন?
১০০ বার নয় কেন?
যেখানে মাত্র ১ বার দরূদ পড়লেই
আমাদের ১০ টি গুনাহ মাফ হয়
১০ টি নেকি যোগ হয়
আর ১০ ডিগ্রি ইজ্জত বর্ধন হয়
সেখানে দরূদে এতো কিপটেমি কেন?
কারণ ছোট থেকেই মাথায় গেথে গিয়েছে,
দরূদ ১১ বার পড়তে হবে!
এখন সেটাই আমাদের একটা লিমিটিং বিলিভ!
অথচ সাহাবা উবায় ইবনে কাব একদা রাসূলকে জিগ্যেস করলেন
আমার দুয়ার কত পার্সেন্ট আপনার জন্য দরূদ পড়ব,
তোমার যত ইচ্ছে
২৫ পার্সেন্ট?
তোমার যত ইচ্ছে, এর থেকে বেশি হলে তোমার জন্যই ভালো
৫০ পার্সেন্ট?
তোমার যত ইচ্ছে, এর থেকে বেশি হলে তোমার জন্যই ভালো
৭৫ পার্সেন্ট?
তোমার যত ইচ্ছে, এর থেকে বেশি হলে তোমার জন্যই ভালো
১০০ পার্সেন্ট!
যদি, করতে পারো তাহলে তোমার যাবতীয় জরুরতই টেক কেয়ার করা হবে এবং তোমার যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে!
যারা রাসূলকে চিনে না তারা হয়তো ভাবতে পারেন,
১০০ পার্সেন্ট!
একটু বেশি বেশি হয়ে গেলো না?
কিন্তু আমরা যারা তাকেঁ চিনি, তারা তো জানি যে,
তিনি আমাদের জন্য কতটা পাগল ছিলেন!
তারা তো জানি যে, এটাও তিনি আমাদের মঙ্গলের জন্যই বলেছিলেন
তাই আমরা তো এটলিস্ট এই লিমিটিং বিলিভ থেকে বের হতে পারি
কি, পারি না?
টনি রবিন্স বলেন
“লিমিটিং বিলিভ হল সেই বিশ্বাসগুলো যা আমরা নিজেদেরকে বলে থাকি
এই বিশ্বাসগুলো আমাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে সীমাবদ্ধ করে।
এগুলো আমাদের অবচেতন মনের সৃষ্টি
এবং আমরা জানিও না যে আমাদের এই বিলিভ গুলো আছে যতক্ষণ না কেউ আমাদেরকে পয়েন্ট আউট করে না দেয়”
আজ পয়েন্ট আউট করে দিলাম
টনি রবিন্ হয়তো দরূদের কথা মাথায় রেখে বলেন নি
তবে কথাটি যে দরূদের জন্যেও প্রযোজ্য এতে কোনো সন্দেহ নাই!
তাই আসুন না,
একদিনের জন্য হলেও ১১ বারের এই লিমিটিং বিলিভটি ঝেড়ে ফেলে ১০০ বার দরূদ টি পড়ে নেই!

Leave a Comment