ফেমিলি সবার উপরে!
“ছোট্ট একটা ছেলে স্বপ্ন দেখলো
দেখে কি করলো?
গিয়ে বাবাকে গিয়ে বলে দিলো”
বাবাও তাকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলো না
মনোযোগ দিয়ে শুনলো
ফিডবেক দিলো!
হজরত ইউসুফের ক্ষেত্রে কি তাই ঘটেনি?
একটু কি কল্পনা করতে পারেন?
তার বাবা হাজরত ইয়াকুব কি প্রচন্ড রকমের একটা কম্ফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট তৈরী করেতে সক্ষম হয়েছিলেন যে
ছোট্ট একটা বাচ্চা মাকে স্কিপ করে বাবার কাছের গিয়ে সিক্রেট বলছে!
এই ধরণের ফ্রেন্ডলি রিলেশন তো এই মডার্ন যুগেও আশা করা যায় না!
তাদের এই কথোপকথন আল্লাহর কাছে এতটাই পছন্দ নিও ছিল যে
তিনি তা যুগযুগ ধরে কুরআনে টুকে রাখলেন!
কারণ তার মোতে
ফেমিলি ও ব্লাড রিলেসন সবার উপরে!
দীন কিন্তু প্রচারও হয়েছিল প্রথমে এই ফ্যামিলি থেকেই।
আজ আমরা যখন নতুন নতুন দ্বীন শিখি
পরিবারের উপর এপ্লাই করি
আর যখন তারা সেটা না মানে তখন ক্ষোভে ফেটে পরি
অথচ একটা ফান্ডামেন্টাল প্রিসিপাল ভুলে যাই
আর তা হলো “গ্রহণযোগ্যতা”
আপনার পরিবারে আপনার যদি কোনো গ্রহণযোগ্যতাই না থাকে তাহলে
ইসলাম তো দূরের কথা বাজারের লিস্টিতেই আপনার মতামত গ্রহণ করা হবে না
রাসূলুল্লাহ ৪০ বয়স পর্যন্ত তার এই গ্রহণযোগ্গতা তৈরী করেছিলেন।
কিছু বললেই যদি আপনি ছেত ছেত করে উঠেন
মানুষ আপনার কাছে ভিড়বে কি করে?
আপনাকে আপনার পরিবারের সেন্টিমেন্ট গুলো বুঝতে হবে
নিজের একটা আস্থা তৈরী করতে হবে এবং
কম্ফোর্টেবল একটা এনভায়রনমেন্ট সৃষ্টি করতে হবে
আজ থেকে যদি নিজেকে ঠিক করার প্রত্যয় নেন তবে
মাথায় এটাও রাখতে হবে যে অতীতের কর্ম কাণ্ড গুলো মানুষ ভুলে যায় নাই
ওভারনাইট তারা আপনার কথা শুনবে না
ধীরে ধীরে তাদের বিস্বাস অর্জন করতে হবে
এমনও হতে পারে যে আপনি আজ তাদের সুন্দর একটা কথা বললেন
উত্তরে ওপর প্রান্ত থেকে ছুটে আসলো তির্যকপূর্ন একটা উত্তর!
সেটার উত্তর যদি আপনার কাছে রেডিও থাকে, চেপে যান, হেসে এড়িয়ে যান
তাদেরকে বলতে দিন
এটা তাদের জমানো ক্ষোভ
মনে রাখবেন
কথায় কথায় উত্তর দেয়া কিন্তু দুর্বল চিত্তের লক্ষণ
যারা নিজেকে সব সময় ভিকটিম ভাবে তারাই এমনটা করে
খেয়াল রাখবেন
আপনি কিন্তু আজ তর্কে জয় পেতে আসেননি
এসেছেন সম্পর্ক জোড়া লাগাতে
নিকট একটা আস্থা তৈরী করতে
কারণ এখন আপনি জানেন
ফেমিলি সবার উপরে!

Leave a Comment